Can your buildings be really earthquake proof?

earthquake

 

In today’s age, advertisement is a popular tool for selling products and even real estate falls under that category. To make products stand out, advertisers come up with catchy slogans to attract potential consumers. However, as a consumer you should be smart enough to not fall for over the top advertisements that are grossly misleading. For instance, with the recent occurrences of earthquakes, you might be bombarded with advertisements from various real estate sectors claiming they have devised an earthquake proof technology or building. When buying a home or other construction materials, be wary of such advertisements. First let’s take a look at what is earthquake

An earthquake is simply sudden and violent shaking of the ground, due to movements within the earth’s crust or volcanic action. If the earthquake is very strong, then it can cause massive destruction both to property and people. Although earthquakes do not directly kill people, falling structures such as building, electric poles, trees etc do.

How to protect yourself against earthquakes?

You can protect yourself against certain diseases through vaccination such as polio, small pox etc, but earthquakes are natural calamities and there is no way to circumvent it. What you can do is raise awareness and take preemptive measures to minimize the damage resulting from a quake. Preemptive measures like following BNBC (Bangladesh National Building Code) guideline in construction work, using quality materials instead of cost effective, low-quality options and knowing what to do in case of earthquakes can greatly aid you to be prepared when disaster strikes.

How do buildings collapse in earthquakes?

In today’s technologically advanced age, many innovations in building construction have provided safer building structures such as retrofitting engineering solutions and others. However, when an earthquake of certain magnitude takes place it applies force on abuilding which makes it sway from side to side. Now the greater the load, the greater the swaying as a result of which the building collapses. Imagine a rubber being stretched with two hands, it will keep on stretching until it reaches a certain point, which is basically the force applied on it and the rubber band breaks. This is the same scenario when a building collapses in earthquakes.

What is the difference between earthquake proof and earthquake resistant?

Although many people use the terms interchangeably, the two terminologies have completely different connotations. An earthquake proof building would mean it will in no way be affected by earthquake no matter how violent it is, whereas an earthquake resistant building is one that can withstand the force during earthquake and it will not collapse up to a certain force.
For instance, imagine a zone where earthquake first starts with a magnitude greater than 8.0, the building right on top of it, no matter how well built has minuscule chance of surviving the earthquake. Therefore in today’s age earthquake proof building is only a myth.

What are some examples of highly earthquake resistant buildings around the world?

Some developed countries use innovative technology to make buildings more earthquake resistant, such as, in Istanbul SabihaGökçen Airport, is said to be able to with stand earthquake of magnitude 8.0 by employing “triple friction pendulum isolators” which act as shock absorbers during earthquakes.

Taipei 101, an iconic landmark in China, has a similar concept of deploying pendulum in its structure. It is a skyscraper and at the top of the structure, there is a pendulum suspended which opposes and balances force from earthquakes and thus keeps it stable.

Although our country is not so developed, we are not lagging behind. For instance,bti has sponsored a research that can make building structures safer, the results of which have been recommended for public use.

********************************************************************************************

আপনার ভবন কি আসলেই ভূমিকম্প প্রতিরোধক হতে পারে?

অনুবাদক: আসহাব-উল-ইসলাম শান্ত

বর্তমান সময়ে বিক্রয়ের একটি ভালো মাধ্যম হলো বিজ্ঞাপন, এমনকি আবাসন খাতও এর অর্ন্তভূক্ত। পন্যকে অনন্য হিসেবে তুলে ধরার জন্য বিজ্ঞাপনদাতারা সম্ভাব্য ক্রেতাদের আকর্ষন করার জন্য আকর্ষনীয় বিজ্ঞাপনী ব্যবহার করেন। তবে একজন ভোক্তা হিসেবে আপনার উচিত বুদ্ধিমত্বার মাধ্যমে এই সব বিভ্রান্তিকর বিজ্ঞাপনের ফাঁদে পা না দেয়া। যেমন ধরুন ভূমিকম্পের সাম্প্রতিক ঘটনাগুলোর পর আপনি আবাসন খাতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে এমন দাবী বারবার শুনবেন যে, তারা ভূমিকম্প প্রতিরোধক প্রযুক্তি বা ইমারত নির্মান পদ্ধতি উদ্ভাবন করেছেন। একটি বাড়ি বা ইমারতের নির্মান সামগ্রী কেনার আগে অবশ্যই এই ধরনের বিজ্ঞাপন থেকে সতর্ক থাকবেন। আসুন প্রথমেই আমরা জেনে নেই ভূমিকম্প কি।

ভূমিকম্প হলো আকস্মিক ও প্রচন্ড কম্পন যা ভূ-অভ্যন্তরে বা আগ্নেয় অংশের নড়াচড়ার কারনে সংগঠিত হয়। ভূমিকম্প যদি খুব শক্তিশালী হয় তাহলে তা সম্পত্তি ও মানুষ উভয়ের ক্ষতি করতে পারে। যদিও সরাসরি ভূমিকম্পের দ্বারা মানুষের মৃত্যু হয়না, হয় দালানকোঠা, বৈদ্যুতিক পোল ও গাছপালার পতনের মাধ্যমে।

ভূমিকম্প থেকে কিভাবে নিজেকে রক্ষা করবেন?

আপনি নির্দিষ্ট কিছু রোগ যেমন পোলিও , স্মল পক্স ইত্যাদি থেকে টিকার মাধ্যমে নিজেকে রক্ষা করতে পারবেন, কিন্তু ভূমিকম্পের মত প্রাকৃতিক দুর্যোগকে পাশ কাটিয়ে যাওয়ার কোন উপায় নেই। আপনি যা করতে পারেন তা হলো, কম্পনের ফলে যে ক্ষয়ক্ষতি হয় তা কমানোর জন্য সচতনতা বৃদ্ধি ও স্বতপ্রণোদিত কিছু ব্যবস্থা গ্রহন করতে। স্বতপ্রণোদিত ধাপগুলো হলো, নিমার্নের ক্ষেত্রে বিএনবিসি (বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোড) বিধিমালা মেনে চলা, নিম্ন মানের ও কম দামী নির্মান সামগ্রীর পরিবর্তে মানসম্পন্ন নির্মান সামগ্রী ব্যবহার করা। ভূমিকম্প হলে কি কি করতে হয় তা জানলে দুর্যোগের সময় তা আপনাকে দারুনভাবে সাহায্য করবে।

ভূমিকম্পের সময় কিভাবে ইমারত ভেঙে পরে?

প্রযুক্তির উন্নয়নের এই যুগে, ইমারত নির্মানের অনেক আবিস্কার ইমারতের গঠনকে করেছে নিরাপদ, যেমন রেট্রোফিটিং নির্মান কৌশল ও অন্যান্য । সে যাই হোক না কেন, যখন নির্দিষ্ট মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হনে তখন এটি এমন শক্তির প্রয়োগ ঘটায় যা ইমারতকে দোলাতে থাকে। ভার যত বেশী হবে, দোলও তত বেশী হবে, যার ফলে ইমারতটি ভেঙে পরে। মনে করুন একটি রাবারকে দুই হাত দিয়ে টানা হচ্ছে্। এটি একটি নির্দিষ্ট মাত্রা পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে প্রকৃতপক্ষে যা হলো এর উপর প্রয়োগকৃত শক্তি ও রাবারটির ছিড়ে যাওয়ার মুহূর্ত। ভূমিকম্পে একটি ইমারত ভেঙে পরার সময়ও একই পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়।

ভূমিকম্প প্রতিরোধী ও ভূমিকম্প নিরোধী এর মধ্যে পার্থক্য কি?

 যদিও অনেকেই এই শব্দগুলো একটির পরিবর্তে অন্যটি ব্যবহার করে, দুইটির সংজ্ঞা সম্পূর্ন আলাদা। একটি “ভূমিকম্প নিরোধী ইমারত” বলতে বোঝায়, যত শক্তিশালী ভূমিকম্পই হোক না কেন এটি কোন ভাবেই ক্ষতিগ্রস্থ হবে না। অন্যদিকে “ভূমিকম্প প্রতিরোধী ইমারত” বলতে বোঝায় এটি একটি নির্দিষ্ট মাত্রা পর্যন্ত ভূমিকম্প প্রতিরোধ করতে পারবে এবং ভেঙে পরবে না।
যেমন মনে করুন একটি স্থান যেখানে ৮.০ মাত্রার একটি ভূমিকম্প আঘাত করেছে, এর সরাসরি উপরে স্থাপিত ইমারতটি যত ভালো ভাবেই তৈরী করা হোক না কেন তার টিকে থাকার সম্ভাবনা খুবই সামান্য। অতএব, বর্তমান যুগে “ভূমিকম্প নিরোধী ইমারত” একটি অতিকথা মাত্র।

পৃথিবীতে ভূমিকম্প প্রতিরোধী ইমারতের উদাহরন কি কি?    

কিছু উন্নত দেশ উদ্ভাবনী প্রযুক্তির ব্যবহার করে ইমারতকে বেশী ভূমিকম্প প্রতিরোধী করে তৈরী করে যেমন, ইস্তাম্বুল এর সাবিহা গোক্সেন (SabihaGökçen) এয়ারপোর্ট, বলা হয়ে থাকে যে ট্রিপল ফ্রিকশন পেন্ডুলাম আইসোলেটর (triple friction pendulum isolators) প্রয়োগের মাধ্যম এটি ৮.০ মাত্রার ভূমিকম্পেও টিকে থাকবে।

চায়নার আইকনিক স্থাপনা তাইপেই ১০১ (Taipei 101), যেখানে একই ধরনের পেন্ডলামের ধারনার প্রয়োগ করা হয়েছে। এটি একটি গগনচুম্বি স্থাপনা এবং স্থাপনাটির একেবারে উপরে পেন্ডুলাম আছে যা ভূমিকম্পের বিপরীত ধর্মী ও ভারসাম্য রক্ষাকারী বল প্রয়োগের মাধ্যমে এটিকে স্থিতিশীল রাখে।

আমাদের দেশ যদিও খুব বেশী উন্নত নয় তবে আমরাও পিছিয়ে নেই। এই ক্ষেত্রে ইমারতের স্থাপনা কিভাবে নিরাপদ করা যায় তার জন্য গবেষনায় বিটিআই অনুদান করেছে যার ফলাফল জনগনের ব্যবহারের জন্য সুপারিশ করা হয়েছে।