bti’s Perspective on 29th June 2016 Fire Incident at bti Premier Plaza, Uttar Badda

bti Premier Plaza is a modern establishment covering 68 kathas.  Its 2nd floor to 4th floor contains shopping mall, the fifth floor consists of an atrium and residential apartments exist from 6th to 14th stories of the building. The residential part of the building is spilt into five towers.

The bti section (around 70,000sqft) of shopping mall comprised of home n décor which is a sister concern of bti. Home n décor, a modern shopping mall established by bti provided a world class shopping experience in Bangladesh. In the fire incident, valuable electronic equipment of home n décor  and all of its products were completely destroyed, resulting in financial loss for the company around Tk. 100 crore.

Since bti’s journey in 1984, it has established itself as a leading real estate developer in the country with its valuable years of experience, honesty and reputation. bti adheres to all rules and regulations of RAJUK/ CDA and other concerned organizations of Bangladesh.

The north and south side of bti Premier Plaza contains an internal driveway for car entry and exit. A fire hydrant exists in the entryway to supply water to fire service vans and through this water can be supplied to the inside of the building too. The water reservation area has a capacity of holding more than 80,000 gallons of water which was available during the fire incident. For residential water supply, there is also a separate water tank with capacity of storing 25,000 gallons of water and this too was available during the incident. Apart from these, the building also has its own deep tube well which is able to meet the requirements of fire service department constantly. During power outage this tube well is run by a generator for constant supply. Due to the high intensity of the fire, the fire service department had to collect water from the local area. To douse the fire, firefighters used 28 nozzles. Due to severe fire, the building’s own water supply could not be accessed; as a result, fire fighters had to use water from outside resources.  The building had around 250 fire extinguishers. During the initial stages of the fire outbreak, bti employees and local people tried to douse the fire using these in the south-east corner of the building.

The commercial space remained closed at night as a security measure which is very usual. The business organization locks the commercial space as a security measure during the night and opens it in the day. During the fire incident, all fire control activities were carried out after the building was unlocked.

bti Premier Plaza has been constructed following RAJUK’s approved design and building construction rules- 1996. The building was handed over in 2011 with all the utility services and facilities. For emergency exit, the five towers of the building consist of two staircases each totaling to 10 staircases which extend up to the rooftop. Each of the rooftops is connected to each other too. The residents of the building can easily reach the rooftop using these stairs.  Later, these stairs were utilized for safe passage of residents to get out of the building with the help of firefighters and others.

As soon as the incident of fire outbreak was received, all bti officials and employees rushed to the scene of the incident to help extinguish the fire. Till now, bti personnel are in regular contact with the building committee and apartment residents.

We express our utmost gratitude to the Almighty that no life was lost despite the gravity of the incident.
In fact, there were no occurrences of severe injury. We are thankful and grateful to the fire service department, media personnel, police, RAB, various social service organizations along with apartment residents, apartment owners’ association, general public, neighbors and bti employees without whose relentless effort, support and timely initiatives, we could not have brought the fire under control.

Under these circumstances, permission to allow residents to live in the building will be granted after receiving BUET certification and other concerned official approvals according to RAJUK’s instruction no.- RAJUK/ Pari- 4/Mohakhali/362/16/642 dated 30.06.2016.

We hope that in the upcoming days we will receive your love and support as always, so that with your love and support we can overcome this hurdle very soon and bti will continue to live on in your hearts.

Best Regards.

Managing Director, bti


গত ২৯ শে জুন ২০১৬ তারিখে সংঘটিত উত্তর বাড্ডাস্থ বিটিআই প্রিমিয়ার প্লাজায় অগ্নিকাণ্ডের প্রেক্ষিতে  বিটিআই এর অবস্থান

প্রিমিয়ার প্লাজা প্রজেক্টটি ৬৮ কাঠার উপর নির্মিত একটি আধুনিক স্থাপনা। এর দ্বিতীয় তলা থেকে চতুর্থ তলা পর্যন্ত শপিংমল, পঞ্চম তলায় এট্রিয়াম এবং ষষ্ঠ তলা থেকে চৌদ্দ তলা পর্যন্ত আবাসিক এপার্টমেন্ট। আবাসিক অংশ পাঁচটি পৃথক টাওয়ারে বিভক্ত।

শপিংমলের বিটিআই এর অংশে (প্রায় সত্তর হাজার বর্গ ফুট)  হোম অ্যান্ড ডেকোর অবস্থিত যা বিটিআই এর অঙ্গ প্রতিষ্ঠান।  হোম অ্যান্ড ডেকোর বাংলাদেশের প্রেক্ষিতে একটি অত্যাধুনিক ও আন্তর্জাতিক মানের  শপিংমল যা বাংলাদেশের ভাবমূর্তিকে বহিঃবিশ্বে উজ্জ্বল করেছে। উক্ত অগ্নি কাণ্ডে বিটিআই হোম অ্যান্ড ডেকোরের মূল্যবান ইলেক্ট্রোনিক্স ইকুইপমেন্ট এবং সকল মালামাল সম্পূর্ণ ভাবে পুড়ে যায় এবং এই ক্ষয়ক্ষতির পরিমান আনুমানিক ১০০ কোটি টাকা।

১৯৮৪ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকে বিটিআই অত্যন্ত দক্ষতা, সততা ও সুনামের সহিত সুদীর্ঘ পথ পাড়ি দিয়ে আজ বাংলাদেশের প্রথম সারির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান হিসাবে প্রতিষ্ঠিত। বিটিআই রাজউক/সিডিএ তথা বাংলাদেশের অন্যান্য সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের আইন ও নিয়ম কানুনের প্রতি সম্পূর্ণ শ্রদ্ধাশীল।

বিটিআই প্রিমিয়ার প্লাজা ভবনটির উত্তর ও দক্ষিণ পাশে গাড়ি প্রবেশ ও বের হওয়ার অভ্যন্তরীণ ড্রাইভওয়ে রয়েছে। ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি থেকে পানি ব্যবহার করার জন্য ভবনের প্রবেশ মুখে ফায়ার হাইড্রেনট স্থাপন করা আছে। যার মাধ্যমে পানি ভবনের ভিতর পর্যন্ত পৌঁছানো সম্ভব। পানি সংরক্ষণের জন্য যে জায়গাটি আছে এর পানি ধারণ ক্ষমতা ৮০ হাজার গ্যালনের ও বেশি যা দুর্ঘটনার সময় পরিপূর্ণ ছিল। এছাড়াও আবাসিক ব্যবহারের জন্য ২৫ হাজার গ্যালন ধারণ ক্ষমতা সম্পন্ন আলাদা আরও একটি চৌবাচ্চা আছে। যাহাও দুর্ঘটনার সময় পরিপূর্ণ ছিল। এছাড়াও ভবনের নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় যে গভীর নলকূপ আছে তা সার্বক্ষণিকভাবে অগ্নি নির্বাপক কর্মীদের পানির চাহিদা পূরণ করে গেছে। বিদ্যুৎ না থাকায় জেনারেটরের মাধ্যমে এই গভীর নলকূপের পাম্প সচল রাখা হয়। আগুনের তীব্রতা বেশি থাকায় অগ্নি নির্বাপক কর্মীদের আশপাশ থেকে পানির ব্যবস্থা করতে হয়। অগ্নি নির্বাপক কর্মীরা এই আগুন নেভানোর জন্য ২৮টি নজেল ব্যবহার করে। আগুনের তীব্রতা এতটাই বেশি ছিল যে, ভবনের নিজ উৎসের পানি দিয়ে আগুন নিভানো সম্ভব ছিল না। তাই অগ্নি নির্বাপক কর্মীদের বাইরের উৎস ব্যবহার করে পানির চাহিদা পূরণ করতে হয়। এই ভবনে প্রায় ২৫০টির মত অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র ছিল। প্রাথমিক অবস্থায় এগুলো ব্যবহার করে বিটিআই-এর কর্মীরা ও অত্র এলাকার মানুষ ভবনের দক্ষিন-পূর্ব কোনায় আগুন নেভানোর চেষ্টা করে।

নিরাপত্তার স্বার্থেই বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানটি তালা বদ্ধ ছিল যা অতি স্বাভাবিক। বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানটি তাদের নিজেদের নিরাপত্তার স্বার্থে রাতে তালা লাগিয়ে যান ও সকালে খুলেন। অগ্নিকাণ্ডের সময় তালা খুলে আগুন নিয়ন্ত্রণের কাজ করা হয়।

বিটিআই প্রিমিয়ার প্লাজা ভবনটি রাজউকের অনুমোদিত নকশা ও নির্মাণ বিধিমালা ১৯৯৬ –র সকল নিয়ম মেনেই নির্মাণ করা হয়েছে। ২০১১ সালে সকল উটিলিটি ও অন্যান্য সুবিধাসহ ভবনটি হস্তান্তর করা হয়। জরুরী  নির্গমনের জন্য এই ভবনে পাঁচটি টাওয়ারে দুইটি করে মোট দশটি সিঁড়ি আছে। যা ছাদ পর্যন্ত বিস্তৃত। প্রত্যেকটি ছাদ আবার একে অপরের সাথে সংযুক্ত। সিঁড়ি ব্যবহার করেই ভবনে বসবাসকারীরা সহজেই ছাদে উঠে যায়। পরবর্তীতে অগ্নি নির্বাপক সংস্থা ও অন্যান্যদের সহায়তাই তারা নিরাপদে নিচে নেমে আসে।

দুর্ঘটনার সংবাদ পাওয়ার সাথে সাথে বিটিআই এর সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ উক্ত দুর্ঘটনার স্থলে ছুটে যান এবং অগ্নি নির্বাপক কাজে ঝাঁপিয়ে পরেন। এখনও পর্যন্ত তারা ভবনের কমিটি ও বাসিন্দাদের সাথে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখছেন।

আমরা সর্ব শক্তিমান আল্লাহর কাছে শুকরীয়া জানাই যে এত বড় দুর্ঘটনার পরও কোন প্রানহানি হয়নি। এমনকি একজন লোকও তেমনভাবে আহত হয়নি। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানাই ফায়ার সার্ভিস, গণমাধ্যমকর্মী, পুলিশ, র‍্যাব, বিভিন্ন সেচ্ছাসেবক প্রতিষ্ঠানসহ সকল এপার্টমেন্টের বাসিন্দা, এপার্টমেন্ট ওনার্স এ্যাসোসিয়েশন, সাধারন জনগন, প্রতিবেশী এবং বিটিআইএর কর্মচারী কর্মকর্তাবৃন্দকে যাদের অক্লান্ত পরিশ্রম, সাহসিকতা ও সময় উপযোগী ভুমিকার কারণে আমরা অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রনে আনতে পেরেছি।

এমতাবস্তায়, রাজউক এর নির্দেশনা স্বারক নং- রাজউক/পরি-৪/মহাখালী/৩৬২/১৬/৬৪২ তারিখ ৩০/০৬/২০১৬ অনুযায়ী বুয়েট কর্তৃক প্রত্যয়নপত্র সংগ্রহ এবং অন্যান্য দপ্তরের অনুমোদন সাপেক্ষে উক্ত ভবনে বসবাসের অনুমোদন দেয়া হবে।

আমরা আশা করি বিগতদিনের মত আগামী দিনগুলোতেও আপনাদের সহযোগিতা, ভালবাসা বজায় থাকবে এবং আপনাদের সহযোগিতা, ভালবাসায় বিটিআই এ দুর্ঘটনার ক্ষতি খুব শীঘ্রই কাটিয়ে উঠতে পারবে এবং বিটিআই বেঁচে থাকবে আপনাদের হৃদয়ে।

ধন্যবাদ সবাইকে।

ব্যবস্থাপনা পরিচালক, বিটিআই